Home Education News WBCS Prelims 2023 পাশ করার Short Cut রাস্তা, জানিয়ে দিলো বর্তমান BDO সায়ন্তন সেন

WBCS Prelims 2023 পাশ করার Short Cut রাস্তা, জানিয়ে দিলো বর্তমান BDO সায়ন্তন সেন

0
WBCS Prelims 2023 পাশ করার Short Cut রাস্তা, জানিয়ে দিলো বর্তমান BDO সায়ন্তন সেন
WBCS Prelims 2023 পাশ করার Short Cut রাস্তা, জানিয়ে দিলো বর্তমান BDO সায়ন্তন সেন

প্রত্যেকটি চাকরির পরীক্ষার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি প্রয়োজন। আর তা যদি হয় wbcs এর মতো বড় পরীক্ষা, তাহলে তো আর কথাই নেই। এই ধরনের পরীক্ষাগুলো জন্য প্রত্যেক চাকরি প্রার্থীর বিশেষ বাড়তি চিন্তা থেকেই যায়। চলতি মাসের ১৬ তারিখে  WBCS Prelims 2023 পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আপনার যারা এই পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালীর BDO সায়ন্তন সেন Last Minute Tips দিলো।

জানিয়ে দিল পরীক্ষার ঠিক শেষ পর্যায় কিভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। কি কি কৌশল নিতে হবে পরীক্ষার সময়। সময়ের মধ্যে সব প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দেওয়া যেতে পারে। পরীক্ষার কোন জায়গাটায় সব থেকে বেশি নম্বর পাওয়া যায়। এছাড়াও কোন জায়গাটায় বেশি সতর্ক থাকলে পরীক্ষাটি ক্রাক করা সম্ভব। এমনই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ঠিক জানিয়ে দিল বিডিও অফিসার।  

WBCS Prelims পরীক্ষা – পরীক্ষাটিতে সব মিলিয়ে ২০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। যেখানে ভূগোলে থাকবে ২৫টি প্রশ্ন, ইতিহাসে থাকবে ৫০টি, ইকোনমি এবং পলিটি দিয়ে থাকবে ২৫ টি, সাইন্সে থাকবে ২৫ নম্বর, ইংরেজি জন্য বরাদ্দ ২৫, অংক এবং জিয়াই থেকে আসবে ২৫ নম্বর, এবং কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এর জন্য বরাদ্ধ ২৫ নম্বর।

আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি প্রায় 3 লক্ষের মতো পরীক্ষার্থী WBCS Prelims 2023 পরীক্ষার অংশগ্রহণ করতে চলেছে। প্রশ্ন সহজ বা কঠিন যেমনই হোক না কেন দিন দিন প্রতিযোগিতা বেড়েই চলেছে। সাথে সাথে বাড়ছে কাট অফ মার্ক। তবে এই বাড়তি প্রতিযোগিতার কথা না ভেবে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির জন্য নজর দিতে হবে। প্রতিবছর WBCS পরীক্ষার মাধ্যমে গ্রুপ এ তে ১০০ জনের মতো গ্রুপ ডি তে কুড়িজনের মতো এবং গ্রুপ সি তে ১২০ জনের মত যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়ে থাকে। তাই পরীক্ষার প্রথম ধাপ অর্থাৎ প্রিলিমস টা ক্লিয়ার না করতে পারলে পরবর্তী ধাপে যাওয়া যাবেনা।

প্রিলিমস হচ্ছে একটি এলিমেন্টারি রাউন্ড। আর এখানে রয়েছে নেগেটিভ মার্কিং। তাই মাথা ঠান্ডা করে সঠিক স্ট্রাটিজির মাধ্যমে ঠিকঠাক ভাবে প্রস্তুতি না নিতে পারলে এই ধাপ উতরানো প্রায় অসম্ভব। আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন বিষয়ে কেমন ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।

ইংরেজি – সাইন্স বা আর্টস যেমন স্ট্রিমের ছাত্র-ছাত্রী হোক না কেন, ইংরেজি নিয়ে সকলের একটা ভয় থেকে যায়। তবে wbcs পরীক্ষায় এই ভয়টাকেই জয় করতে হবে। ইংরেজিতে সব মিলিয়ে ২৫ টি প্রশ্ন আসবে, এই পরীক্ষা পাস করতে হলে ইংরেজিতে১৮ থেকে ২০ নম্বরের আশেপাশে স্কোর তুলতেই হবে। 

ইতিহাস – ইতিহাস হল ডব্লিউ বিসিএস প্রিলিমস পরীক্ষা পাস করার প্রধান চাবিকাঠি। প্রিলিমস পরীক্ষায় ইতিহাসের দুটি ভাগ থেকে প্রশ্ন আসে। প্রথমটা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল মুভমেন্ট দ্বিতীয় ভাগে প্রাচীর ইতিহাস। তবে বেশিরভাগ প্রশ্নটা ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল মুভমেন্ট থেকেই আসে। তাই আপনাকে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল মুভমেন্ট টাকে অনেক বেশি জোর দিয়ে পড়তে হবে। ইতিহাসে আপনাকে ৪০ থেকে ৪২ নম্বর স্কোরের লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে।

অংক – অংকতে নম্বর তোলা খুবই সহজ। কারণ প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংকের পাটিগণিত এবং রিজনিং থেকে প্রশ্ন আসে। রিজনিং খুবই সহজ। তাই অংকে ২৫ এর মধ্যে অন্তত 20 নম্বর টার্গেট করে চলতে হবে।

ভূগোল – অংকের মতনই ভূগোল একটি সহজ সাবজেক্ট। এখান থেকে ছাকা নম্বর তোলা সম্ভব। পশ্চিমবঙ্গ ও দেশ নিয়ে মাধ্যমিক লেভেলের প্রশ্ন আসে এখানে।

সাইন্স – এই জায়গাটা সত্যি একটু খটমটো। অনেকেই সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে থাকে না তাই সেই সমস্ত স্টুডেন্টদের এখানে নম্বর তোলা একটু কঠিন হয়ে পড়ে। সাইন্সে কেমিস্ট্রি, ফিজিক্স ও বায়োলজি এই তিনটি জায়গা থেকে প্রশ্ন আসে। প্রত্যেকটি স্টুডেন্টের কোন না কোনো সাবজেক্ট খুব ভালো লাগে। সেই সাবজেক্টটিকে খুব ভালো করে খুঁটিয়ে পড়তে হবে। যাতে এখানে ২৫ নম্বরের মধ্যে ন্যূনতম ১০ নম্বর পাওয়া যেতে পারে।

কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এবং বেসিক জিকে – এই পোরশন থেকে সব মিলিয়ে ২৫ নম্বরের প্রশ্ন আসবে। এখানে নম্বর তোলার জন্য আপনাকে অবশ্যই শেষ ছয় মাসের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স প্রস্তুত করে রাখতে হবে। সাথে সাথে বিভিন্ন জিকে ও প্রতিযোগিতামূলক বইগুলোতে অংশগ্রহণ করতে হবে। প্রচুর প্র্যাকটিস সেটে অংশগ্রহণ করলে পারলে এখানেও ২৫ এর মধ্যে ১৫ থেকে ১৮ নম্বর তোলা সম্ভব।

পলিটি এবং ইকোনমিক্স – এই দুটি সাবজেক্ট থেকে সব মিলিয়ে ২৫ নম্বরের প্রশ্ন আসে। দু-তিন বছর ধরে যা দেখা যাচ্ছে, পলিটির তুলনায় ইকোনমিক্স থেকে কম প্রশ্ন আসে। তাই এখানে ভালো নাম্বার তোলার জন্য পলিটির উপরে বেশি গুরুত্ব দিন।

কোন কৌশলে এই পরীক্ষা ক্রাক করা যাবে? সায়ন্তন সেন জানিয়েছেন, প্রত্যেকটি পরীক্ষা ক্রাক করার জন্য একটি একটি নির্দিষ্ট ট্রিক প্রয়োজন হয়। সঠিক কৌশল এবং ট্রিক ফলো করলেই যেকোনো পরীক্ষায় পাশ করা সম্ভব।

প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় একটি ভালো স্কোর করার জন্য আপনারা এলিমিনেশন মেথড প্রয়োগ করতে পারেন। কারণ এখানে নেগেটিভ মার্কিন রয়েছে। পরীক্ষায় এমন অনেক প্রশ্ন আসতেই পারে যেগুলো আপনি কখনো দেখেননি। সেই সমস্ত প্রশ্নগুলির ক্ষেত্রে খুব বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে আনসার দিতে হবে। প্রশ্ন চারটি করে আনসার থাকবে আপনার যদি চেনা পরিচিতর মধ্যে আসে তাহলে উত্তর দিন, না হলে ছেড়ে দিন সেই প্রশ্ন। সাথে সাথে এই প্রশ্নগুলোর ক্ষেত্রে আপনি এলিমিনেশন মেথড প্রয়োগ করুন।

এই মেথড প্রয়োগ করার জন্য আপনাকে প্রস্তুতি সময় একটি mind ম্যাপ করতে হয়। এই মাইন্ড ম্যাপ প্রত্যেকের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। এই ম্যাপ তৈরি করার জন্য নির্দিষ্ট কোন ফর্মুলা থাকে না। আপনি দেখুন আপনার কোন জায়গা বেশি শক্তিশালী আর কোন জায়গায় দুর্বলতা রয়েছে। ঠিকমতো আপনি ম্যাপ তৈরি করে এগিয়ে চলুন।

Last Munite Tips: তবে আপনাকে জানিয়ে রাখবো এই মুহূর্তে আর টেক্সটবুকগুলোকে পড়ার প্রয়োজন নেই। যতটা সম্ভব মক টেস্ট গুলিতে অংশগ্রহণ করুন। এই মক টেস্ট গুলোর জন্য মার্কেটে অনেক ভালো ভালো বই উপলব্ধ রয়েছে। বইগুলিকে অফলাইন থেকে কিনে দ্রুত মক টেস্ট দেওয়া শুরু করে দিন। 

Join Our Whatsapp Group – Click Here

Join Our Telegram group – Click Here

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here